উদ্ভাবন

উদ্ভাবনী শিরোনাম

কৃষি পল্লী ঋণ  কার্যক্রম সহজিকরণ পদ্ধতি

বিদ্যমান ব্যবস্থার সমস্যা

চট্টগ্রাম  জেলার ১৪টি উপজেলার ৫ লক্ষাধিক কৃষকের মধ্যে মাত্র ২৫% কৃষক কৃষি ও পল্লী ঋণ গ্রহণ করে থাকেন। বাকী প্রায় 75% কৃষকের মধ্যে একটি বড় অংশ কৃষি ঋণের আবেদন ও গ্রহণ প্রক্রিয়া সম্পর্কে স্বচ্ছ ধারণার অভাবে সৃষ্ট ভয় এবং ব্যাংকারদের  অনীহার কারণে ঋণের আবেদন করেন না। আবেদনের প্রক্রিয়া, পদ্ধতি এবং প্রয়োজনীয় সংযুক্তি সম্পর্কে ধারণা না থাকায়, ধারণা দেয়া হলেও সঠিক নমুনার অভাবে প্রক্রিয়া এবং সংযুক্তি সংক্রান্ত ভুল করায় আবেদন সংক্রান্ত জটিলতায় গ্রাহকরা আক্রান্ত হন। এর ধারাবাহিকতায় সিদ্ধান্ত প্রদানে উদ্ভূত বিলম্বের কারণে তারা হয়রানীর শিকার হন।

সমস্যার কারণ

১। কৃষকদের সহযোগিতার ব্যাপারে  ব্যাংকসমূহের অনীহা প্রকাশ করা।

২। মনিটরিং কর্মকর্তার যথাযথ মনিটরিং না করা।

৩। ঋণের বিপরীতে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও সুদের হার সম্পর্কে তথ্য না থাকা।

৪। সুবিধাজনক স্থান থেকে সঠিকভাবে আবেদন করার সুযোগের সীমাবদ্ধতা।

৫। সঠিক প্রক্রিয়া, পদ্ধতি এবং সংযুক্তি সম্পর্কে জানার সুযোগের সীমাবদ্ধতা।

৬। সঠিক নমুনার সহজলভ্যতার সীমাবদ্ধতা।

সমাধানসমূহ

  • একটি অনলাইনভিত্তিক ইউজার ইন্টারফেস যেখানে সংশ্লিষ্ট সমস্যার ক্ষেত্রে আবেদনের প্রক্রিয়া নির্দেশিত থাকবে।
  • ঋণের সুদের হার সম্পর্কে হালনাগাদ তথ্য প্রদান করা থাকবে।
  • আবেদনের সাথে প্রদত্ত সংযুক্তিসমূহের (Check list) তালিকা প্রদর্শিত থাকবে।
  • সংযুক্তিসমূহের সঠিক মডেল ও সাধারণ ভুল সম্পর্কে নির্দেশনা থাকবে।
  • কৃষকগণ মোবাইল এ্যাপ ব্যবহারের মাধ্যমে অথবা ইউডিসির সহযোগিতায় এই সেবা গ্রহণ করতে পারবেন।
  • গ্রাহকের আবেদন অনলাইনে প্রাপ্তির সাথে সাথেই নথি চালু করা হবে।
  • কৃষকের আবেদন যাচাইকল্পে তা উপজেলার সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার নিকট জমা হবে।
  • সিদ্ধান্ত সংবলিত তথ্যাবলী গ্রাহককে এসএমএস এর মাধ্যমে জানিয়ে দেয়া হবে।
  • এভাবেই কৃষকের নথি চালু হয়ে যাবে।

 

দ্ভাবকের নাম এবং পরিচয়

 

মো: জসিম উদ্দিন
ব্যবস্থাপক, অগ্রণী ব্যাংক লিমিটেড,
প্রেস ক্লাব শাখা, চট্টগ্রাম

প্রকল্প পরিচালক, অনলাইন কৃষি ও পল্লী ঋণ,
এটুআই প্রোগ্রাম, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়  ।

Krishiloan APP available now.

Google Play Store Apple Store